#কলকাতা: অতিমারী আবহেও বাংলা চলচ্চিত্র জগতে বড় খবর। ফের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র মঞ্চে সেরার সম্মান পেয়েছে বাংলা ছবি। এবার কান ওয়ার্ল্ড ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা ভারতীয় ছবির পুরস্কার পেলো বাঙালি সুপারস্টার জিতের প্রযোজনায় তৈরি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র (Jeet’s Image on Cannes)। ছবির নাম ‘হরে কৃষ্ণ’। ছবিটি পরিচালনা করেছেন প্রখ্যাত পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তীর ছেলে হিন্দোল চক্রবর্তী। এটি তার প্রথম ছবি। জিৎ হিন্দোলের যুগলবন্দির এই ছবি ঘিরে তাই উৎসবের মেজাজ টলিপাড়ায়।

যদিও স্বল্পদৈর্ঘ্য এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেননি জিৎ নিজে। কিন্তু এই চলচ্চিত্রের ধারণাটি তার। জিত এই ছবিটি প্রযোজনাও করেছেন। হরে কৃষ্ণ কান ওয়ার্ল্ড ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে  (Jeet’s Image on Cannes) সেরা ভারতীয় ফিল্ম ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হয়েছে।

গিটার হাতে “ও বন্ধু তুমি শুনতে কি পাও…” গানটি আজ থেকে কুড়ি বছর আগে গেয়েছিলেন উঠতি গায়ক বিজয়। আর বিজয়কে ‘সাথী’ করেই টলিউডে নিজের সফর শুরু করেছিলেন সুপারস্টার জিৎ (Jeet)। ছবির নাম সাথী। পরিচালক ছিলেন হরনাথ চক্রবর্তী (Haranath Chakraborty)। এরপরে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি জিৎকে।

আরও পড়ুন: মানিকে ‘ম্যাশ আপ’? শুনুন নন্দী সিস্টার্স-দের দুরন্ত ভাইরাল মাগে হিথে গানের ভিডিও…

জিৎ-হরনাথের দ্বৈরথ ছুটেছে একের পর এক মাইলস্টোন সিনেমার সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে। সুপারস্টার হয়েছেন জিৎ। নেমেছেন প্রযোজনাতেও। নায়ক জিৎ আজ প্রযোজক ও। আর আজ প্রায় দুই দশক পরে জিতের প্রযোজনাতেই  (Jeet’s Image on Cannes) পরিচালনার জগতে প্রবেশ করেন হিন্দোল। আর সেখানেও শুরুতেই আন্তর্জাতিক মর্যাদা এল ঝুলিতে।

সূত্রের খবর, প্রথমে পূর্ণ দৈর্ঘ্যের ছবি তৈরির পরিকল্পনা ছিল ‘হরে কৃষ্ণ’ নিয়ে। কিন্তু অতিমারীর কারণে সেই পরিকল্পনা স্থগিত রাখতে হয়। গত ২৯ আগস্ট থেকে ইউটিউবে দেখা যাচ্ছে ‘হরে কৃষ্ণ’ (Hare Krishna)। ছবিতে অভিনয় করেছেন শুভময় চট্টোপাধ্যায়, বুদ্ধদেব ভট্টচার্য, রাজু মজুমদার, মন্টু মল্লিক, ফিরোজ আহমেদ, দেবাশিস রায়। ছবির সাফল্যে খুশি গোটা টিম। ভোররাতেই ট্যুইট করে গোটা টিমকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রযোজক জিৎ।

বাস্তবধর্মী এই কাহিনির জোরেই কান চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা ভারতীয় ছবি তকমা (2021 Cannes Movie Competition) পেয়েছে ‘হরে কৃষ্ণ’। বাস্তবের প্রেক্ষাপটে শর্ট ফিল্মের কাহিনি সাজানো হয়েছে। কৌতুকের মোড়কে রয়েছে ব্যঙ্গের ছোঁয়া। মুক্তির পর অবশ্য ছবির সংলাপ নিয়ে অনেকে আপত্তি করেছিলেন। অকথ্য ভাষা কেন ব্যবহার করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্নও করা হয়েছিল। তবে কাহিনির স্বার্থেই অকথ্য ভাষাগুলি রাখা হয়, বলেই জানান পরিচালক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *